তিনি আরও বলেন, আশা করি আমরা এই নতুন মহামারিটি প্রতিরোধ করতে পারব। কিন্তু যদি আমরা না পারি সেকারণে আমরা ইতিমধ্যেই ভ্যাকসিন এবং থেরাপিউটিকস তৈরি করতে শুরু করেছি।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিজ্ঞানীদের ‘ডিজিজ এক্স’র ভ্যাকসিন তৈরির জন্য মোট ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। শুধুমাত্র যুক্তরাজ্য সরকারই এর জন্য ১৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অন্যদিকে জাপান, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি নরওয়ের গেটস ফাউন্ডেশন এবং ওয়েলকাম ট্রাস্টও এই সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
ডিজিজ এক্স কী?
বিজ্ঞানীরা পশু ভাইরাসগুলির একটি তালিকা তৈরি করেছে যেগুলো এক সময় মানুষকে সংক্রমিত করতে সম্ভব। কিন্তু এই ভাইরাসের সম্পর্কে কোনও ধারণা পাওয়া যায়নি যার কারণে এই ভাইরাসটি ‘ডিজিজ এক্স’ নামে পরিচিত।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ‘ডিজিজ এক্স’ কথাটির অর্থ হলো, এমন একটি রোগ যা অতিমারি ঘটাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু সেই রোগটির প্যাথোজেন কীভাবে মানুষের ক্ষতি করতে পারে, তা অজানা।
ইংল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব এডিনবার্গের অধ্যাপক এবং সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ মার্ক উলহাউস সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি এমন একটি জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে, যা যে কোনো সময়ে নতুন একটি অতিমারি সৃষ্টি করতে পারে।
কেমন হতে পারে এই ‘ডিজিজ এক্স’?
বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটিও এক ধরনের Zoonotic রোগ হওযার আশঙ্কাই বেশি।
কী এই Zoonotic রোগ?
সাধারণত মানুষ থেকে অন্য প্রাণীদের মধ্যে বা অন্য প্রাণীদের থেকে মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে এমন রোগকেই Zoonotic রোগ বলা হয়। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা তেমনই কোনো অসুখ হতে চলেছে এই ‘ডিজিজ এক্স’।