ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাইযোদ্ধা শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যার বিচারের দাবিতে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ নম্বর গেটের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে সম্মিলিত কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচির আয়োজন করেন। পরে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি) ও আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি)-এর শিক্ষার্থীরা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
এ সময় ওসমান হাদিকে হত্যার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাশরাফি সরকার এবং সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সদস্যসচিব আতিক শাহরিয়া।
সমাবেশে মাশরাফি সরকার বলেন, ‘এই দেশের সংকটময় লগ্নে ছাত্র-জনতার ঐক্যে যে বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল, আজ পরিতাপের বিষয় হলো সেই বিপ্লবের পর গঠিত তথাকথিত সুশীল ইন্টেরিম সরকার নিয়ে আমরা নিজেরাই আজ লজ্জিত। জাতির কাছে লজ্জিত, বিশ্ববাসীর কাছেও লজ্জিত।
হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের জন্য সময় বেঁধে দিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবাইকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে আমরা ৭২ ঘণ্টা থেকে ৭ দিনের সময় দিচ্ছি—যারা পালিয়ে গেছে এবং যাদেরকে শেল্টার দেওয়া হয়েছে, তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’ পরিশেষে মাশরাফি সরকার বলেন, ‘বাংলার জমিনে আর কোনো হাদিকে শহীদ করার পরিকল্পনা যদি কারো মাথায় আসে, তাদের জন্য এটি চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি। আর একটি ভাইয়ের লাশ নয়। অন্যায় ও রক্তের রাজনীতির সঙ্গে যারা যুক্ত হবে, তাদের জন্য বাংলার জমিনে কোনো জায়গা থাকবে না—থাকবে না, থাকবেই না।
এটিভি/এসএম/আলটিমেটাম