রমজান আমাদের ঘরে আসে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে। এই মাস শুধু প্রাপ্তবয়স্কদের ইবাদতের মৌসুম নয়, এটি শিশুদের হৃদয়ে ঈমানের প্রথম বীজ বপনেরও সুবর্ণ সময়। আজ যে শিশু মায়ের হাত ধরে সাহরিতে জাগে, বাবার পাশে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ার চেষ্টা করে, কাল সেই হবে দ্বিনের দায়িত্বশীল বাহক। তাই শিশুদের রোজা ও নামাজে অভ্যস্ত করানো কোনো চাপের বিষয় নয়; এটি ভালোবাসা, প্রেরণা ও ধৈর্যের এক সুকৌশলী যাত্রা।
রমজান হলো আত্মগঠনের বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ে আমরা যদি শিশুদের স্নেহ, প্রেরণা ও উদাহরণ দিয়ে পথ দেখাই, তবে তারা ইবাদতকে বোঝা মনে করবে না; বরং ভালোবাসার দায়িত্ব মনে করবে। আজকের ছোট্ট রোজাদার, নামাজের কাতারে দাঁড়ানো সেই নিষ্পাপ মুখগুলোই আগামী দিনের আলোকিত সমাজ গড়বে।
আসুন, আমরা তাদের নিরুৎসাহ না করে আলতো হাতে এগিয়ে দিই। রোজা ও নামাজকে শৈশবের সুন্দর স্মৃতি বানিয়ে দিই। তাহলেই ইবাদত তাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠবে, ভয় থেকে নয়, ভালোবাসা থেকে।